Mayal Malok Lee Homestay, Passingdang Village, Dzongu, Sikkim
Dear Visitor! Namaste! A warm welcome to our website

Dzongu, is a Lepcha reserve located near Mangan, HQ of North Sikkim District. Surrounded by almighty of Himalaya in one side and Teesta and Tholung Chu River on other two sides consists of beautiful landscapes, numerous falls, deep forests and simple people.
Dzongu is that the untouched heaven within the northern Sikkim with a hanging beauty. Mountains, streams, waterfalls, thick forests, small lovely Lepcha hamlets, completely pollution free air and divine calmness is what characterizes the place. It’s been recently spread out for tour spot and it's however to draw in hoards of the tourist as business isn't well developed however. Solely 4-5 Home Stays are out there. This makes Dzongu an awfully unforgettable expertise in itself. There aren't any normal itineraries out there to explore Dzongu.
You’ve got to create the set up on your own with the assistance of Home stay homeowners. If you so need a non-commercialized nature keep, this is often the place. Walking, trekking, taking baths in rivers/waterfalls/hot water spring, birding, running behind the butterflies, visiting small hamlets, fancying native preparation and staying in ancient Lepcha homes is what you'll be able to enjoy here. Dzongu does not have hotels on lodges like other places. The ethnic Lapcha Homestay serves the purpose of hotel or lodge.

Mayal Malok Lee Homestay is located in Passingdang Village of Upper Dzongu. This Homestay is run by an ethnic Lapcha family of Mr. CD Lapcha. So far we know, this is the only Homestay in Dzongu which has rooms with attached toilets, others have rooms with common toilets. Food is made from the farm fresh vegetables and tastes awesome. Since the place is bordered by Kanchenjunga Biodiversity Park on the west gets extremely chilly during winter. Expect best views of Mountains and blossoming cherry flowers in the month of November. Do be avoided during monsoon due to landslides and mud roads. Food and Accommodation is available in homestay with complementary Chi or Chee (A local hot beer fermented from Millet).

Geography of Dzongu: - The shape of Dzongu is triangular. The western side is surrounded by almighty Kanchenjunga range of mountains. South-West boundary is laid by Teesta River. The North-East border is lined by Tholung Chu River. The Lapcha Reserve is 72 KMs from the district capital Gangtok and 10 KM from North district Headquarter Mangan. Due to proximity of Kanchenjunga Biosphere Reserve the area is extremely chilly during winter. Summer is mostly comfortable and it rains a lot during monsoon.

History of Dzongu: - Lapchas have long history with the landscape of Dzongu from the time they used to eat wild vegetation and haunted meat. They are the worshippers of landscapes and believe that landscapes protect them from evils. Lapchas have a strong tie with Tibetan nomads and believed that original inhabitants of Sikkim.

ডিজওঙু বা জঙ্গু হিমালয়ের কোলে এক স্বপ্ন রাজ্য। কলকল করে বয়ে যাওয়া পান্না রঙের তিস্তা নদী , গা ছমছম করা গভীর অরণ্য, মেঘচুম্বি তুষারমণ্ডিত পর্বত শিখর, সরল সাধারণ মানুষ - এক কথায় এই হলো জঙ্গু। উত্তর সিকিমের মনগান থেকে মাত্র দশ কিলোমিটার দূরের অচিন দেশ জঙ্গুর প্রাকৃতিক সৌন্দর্য নয়ন মুগ্ধকর। অসংখ প্রাবাহমান নদী, জলাশয়, জলপ্রপাত আর ছবির মতো সাজানো গ্রাম একজন পর্যটকের কাছে বিশেষ ভাবে লোভনীয়।

সিকিমের আদি বাসিন্দা লেপচা প্রজাতি আধুনিকীকরণের স্রোতে তাদের রীতি রেওয়াজকে হারাতে বসেছিল। সিকিম সরকার লেপচা প্রজাতিকে হারিয়ে যাওয়া থেকে বাঁচাতে জঙ্গুকে "বিশেষ লেপচা সংরক্ষিত এলাকা" র দর্জা দেয়। পর্যটককে জঙ্গুতে ঘুরতে যেতে হলে মনগান থেকে Inner Line Permit নিতে হবে। Inner Line Permit পেতে গেলে মূল পরিচয়পত্র এবং চার কপি ফটো লাগবে, বাচ্ছাদের স্কুলের ID কার্ড নিয়ে যেতে হবে।

জঙ্গুর আকার অনেকটা ত্রিভুজের মতো। পশ্চিমে দুর্গম কাঞ্চনজঙ্ঘা জীবমণ্ডল সংরক্ষণ উদ্যান, দক্ষিন-পূর্বে তিস্তা নদী এবং উত্তর-পূর্বে থলুঙ চু নদী জঙ্গুর সীমান্তরেখা। বিশ্বাস করা হয় শতাব্দী ধরে লেপচারা এই অঞ্চলের বাসিন্দা এবং ভূদৃশ্যের পূজক। বৌধ্য প্রচারকরা বেশ কিছু monastery নির্মাণ করেন জঙ্গুতে - এই কারণে জঙ্গুর লেপচা প্রজাতি বৌদ্ধ ধর্মেও বিশ্বাস করেন।

থাকবেন কোথায় :- জঙ্গুর কতকগুলো প্রসিদ্ধ গ্রাম হলো পাসিংডাং, লিঙ্গথেম, টিংভং, কুসং ইত্যাদি। আদিম সৌন্দের্যে ঘেরা গ্রাম হল কুশংগ, কুশংগ লিঙ্গথেম থেকে দুই তিন দিনের হাঁটা রাস্তা। কাঞ্চনজঙ্ঘা পর্বতমালার সবচেয়ে সুন্দর দৃশ্য কুশংগ গ্রাম থেকে দেখতে পাওয়া যায়। পাসিংডাং, লিঙ্গথেম, টিংভং, কুসং ইত্যাদি গ্রামে ছড়িয়ে ছিটিয়ে বেশ কিছু Homestay আছে - সুবিধা খুব সাধারণ কিনতু অতিথেয়তা পাঁচ তারা হোটেলকে মাত দিয়ে দেবে। একটি দুটি Homestay তে লাগোয়া toilet আছে, বাকি গুলোতে নেই।

খাবেন কি :- জঙ্গুর ক্ষেতের তাজা শাক-সব্জি রসনা লোলুপদের খিদে বাড়াতে যথেষ্ট। পান বিলাসীরা বাজরা থেকে প্রস্তূত পানীয় পান করতে পারেন - ঈষৎ টক স্বাদের এই পানীয় শরীরকে গরম এবং মনকে প্রফুল্লিত করবে। আমিষ ভোজনের জন্যে আছে দেশী মুরগী আর শুখানো শুয়োরের মাংস। পুরো শুয়োরটিকে কাটা এবং পরিষ্কার করার পর একটি জায়গাতে ঝুলিয়ে রেখে নিরন্তর হাল্কা কাঠের আগুনের আঁচে সাত থেকে দশ দিন সেকা হয়। সেকার ফলে সমস্ত জলীয় পদার্থ বেরিয়ে শুখনো মাংসে পরিবর্তিত হয় - এটা পরবর্তী ছয় মাস খাওয়ার উপযোগী থাকে। লেপচাদের মূল খাবার ভাত, আজকাল রুটিও পাবেন। ভুট্টার আর বাজরার রুটি সুস্বাদু এবং স্বাস্থবর্ধক।

যাবেন কি ভাবে :- নিকটবর্তী রেল স্টেশন NJP. NJP থেকে গ্যাংটক ৮০ কিলোমিটার। গ্যাংটক থেকে ৭০ কিলোমিটার দূরে জঙ্গু। NJP থেকে ৭ সিটের গাড়ি ৫৫০০/- টাকা থেকে ৬০০০/- টাকা ভাড়া নেবে। NJP থেকে Share Jeep এ সিংটাম, সিংটাম থেকে share Jeep এ মনগান, মনগান থেকে জঙ্গুর জন্যে গাড়ি পাওয়া যাবে।

খরচা :- Homestay তে খাওয়া থাকা মাথাপিছু ১৫০০/- টাকা।